Showing 81–100 of 101 resultsSorted by latest
Sort by
Price filter
চিয়া সিডস ১ কেজি
পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য হিসেবে এক নাম্বারে রাখা হয়েছে চিয়া বীজকে।
কারণ চিয়া বীজে রয়েছে অবাক করা পুষ্টিগুণ-
চিয়া বীজে রয়েছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম।
কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি।
পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন।
কলার চেয়ে ২ গুণ বেশি পটাশিয়াম।
সেলমন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।
যার কারণেই পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল সুপার ফুড বলা হয়েছে চিয়া বীজকে।
চিয়া সিডস ৫০০ গ্রাম
পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য হিসেবে এক নাম্বারে রাখা হয়েছে চিয়া বীজকে।
কারণ চিয়া বীজে রয়েছে অবাক করা পুষ্টিগুণ-
চিয়া বীজে রয়েছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম।
কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি।
পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন।
কলার চেয়ে ২ গুণ বেশি পটাশিয়াম।
সেলমন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।
যার কারণেই পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল সুপার ফুড বলা হয়েছে চিয়া বীজকে।
চিয়া সিডস ২৫০ গ্রাম
পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য হিসেবে এক নাম্বারে রাখা হয়েছে চিয়া বীজকে।
কারণ চিয়া বীজে রয়েছে অবাক করা পুষ্টিগুণ-
চিয়া বীজে রয়েছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম।
কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি।
পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন।
কলার চেয়ে ২ গুণ বেশি পটাশিয়াম।
সেলমন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড।
যার কারণেই পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল সুপার ফুড বলা হয়েছে চিয়া বীজকে।
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাকের মধু ৫০০ গ্রাম
- দেখতে সাধারণত Light Amber রঙের হয় (তবে সময় ও ফুল ভেদে কিছুটা Light বা Dark হতে পারে)।
- খেতে খুবই সুস্বাদু, হালকা টকটক মিষ্টি লাগে।
- কিছু মানুষের কাছে- সুন্দরবনের মধু অনেকটা আখের রসের মতো লাগে।
- মধুর ঘনত্ব সবসময় পাতলা হবে (আমরা কখনই সুন্দরবনে ঘন মধু পাইনি)।
- সুন্দরবনের মধুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- একটু ঝাঁকি লাগলেই প্রচুর পরিমাণে ফেনা হয়ে যাবে।
- সুন্দরবনের খাটি মধু আমরা কখনই জমতে দেখনি। হোক সেটা ফ্রিজের ভেতরে বা বাইরে।
- এই মধুর আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- হাতে চাক কাটা পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা মধুর উপরে হলুদ রঙের পোলেন জমা হয়। এটাকে অনেকে গাদ জমা বলে থাকেন।
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক চাকের মধু ১ কেজি
- দেখতে সাধারণত Light Amber রঙের হয় (তবে সময় ও ফুল ভেদে কিছুটা Light বা Dark হতে পারে)।
- খেতে খুবই সুস্বাদু, হালকা টকটক মিষ্টি লাগে।
- কিছু মানুষের কাছে- সুন্দরবনের মধু অনেকটা আখের রসের মতো লাগে।
- মধুর ঘনত্ব সবসময় পাতলা হবে (আমরা কখনই সুন্দরবনে ঘন মধু পাইনি)।
- সুন্দরবনের মধুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- একটু ঝাঁকি লাগলেই প্রচুর পরিমাণে ফেনা হয়ে যাবে।
- সুন্দরবনের খাটি মধু আমরা কখনই জমতে দেখনি। হোক সেটা ফ্রিজের ভেতরে বা বাইরে।
- এই মধুর আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- হাতে চাক কাটা পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা মধুর উপরে হলুদ রঙের পোলেন জমা হয়। এটাকে অনেকে গাদ জমা বলে থাকেন।